বর্ষীয়ান চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত সরাইল উপজেলার সুপরিচিত ঐতিহাসিক আরিফাইল মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ময়না আক্তার (৯) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর সোমবার সকালে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা একযোগে অভিযান চালিয়ে ওই ভয়াবহ ঘাতক নির্মিত মসজিদ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে।
গভীর ঘোর অন্ধকারে শিশুটির দেহে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের চিহ্ন লক্ষ্য করা যায়। তার চোখ ও নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল; এক আবেগঘন পরিবারের বরাত দিয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রফিকুল হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ময়না আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।” হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পুলিশ সবার অব্যহতি না দেয়ার শপথ নিয়েছে। নিহতের বাবা-মা জানান, গতকাল বিকেলেই ময়না বাড়ি থেকে অজ্ঞাত কারণে নিখোঁজ হয়েছিলেন।
ইতোমধ্যে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, তারা হাড়ে হাড়ে ঘটনার তদন্ত চালিয়ে এবং অভিযুক্তদের বিচারে সমানুপাতিক শাস্তি নিশ্চিত করবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিশু শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু একটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড — সেখানে ধর্ষণের প্রমাণ বিষয়ের গুরুত্ব আরো বাড়িয়ে তুলছে। অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পরিবারের পক্ষ থেকে জোর দাবি জানানো হয়েছে।


















