গুরুদাসপুর(নাটোর)প্রতিনিধি..
‘জনদুর্ভোগ শেষ হোক,কাঁচা রাস্তা পাকা হোক’ প্রতিপাদ্যে নাটোরের গুরুদাসপুর ও সিংড়া উপজেলার অন্তত ১০ গ্রামের মানুষ মানববন্ধন করেছে। বিয়াঘাট ইউনিয়নের দস্তানানগর মাদ্রাসা মোড় থেকে মহিষমারী মৃধাপাড়া গ্রামীণ রাস্তা পাকা করনের দাবীতে মঙ্গলবার (৭অক্টোবর) বেলা ১২ টায় ঘন্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, বিয়াঘাট ইউনিয়নের দস্তানানগর মাদ্রাসা মোড় থেকে মহিষমারী মৃধাপাড়া পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তার সামান্য বৃষ্টিতে জমে যায় পানি। কর্দমাক্ত রাস্তায় যানচলাচল দূরের কথা পায়ে হেঁটেও চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় এলাকাবাসীর।
সোজা ও সংক্ষিপ্ত হওয়ার কারনে ওই রাস্তা দিয়ে গুরুদাসপুর অংশের দস্তনানগর, কুমারখালী, বিয়াঘাট, মামুদপুর এবং সিংড়া অংশের বিলদহর, মহিষমারী, গোটিয়া, কালীনগর গ্রামের মানুষ ও জানবাহনের জনপ্রিয় রাস্তা। এপথে এলাকার বাসিন্দা ও চলাচলকারীদের পাকাকরণের আশ্বাসই শুনতে হয়েছে। কিন্তু আশ্বাস আলোর মুখ দেখেনি ৫০ বছরেও। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলে কাদাজলে দুর্ভোগে পরতে হয় স্কুলগামী শিশু, পরিবহন শ্রমিক, মাছচাষী, কৃষি শ্রমিক ও উৎপাদিত ফসল ঘরে তোলা নিয়ে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শাহিন আলম, সাগর আলী, ইউনুস মৃধা, নাদিম মোস্তফা, জুলহাস সোনার, রহমান মোল্লা, জাকারিয়া ও শাহরিয়ার বুলবুল। বক্তারা দ্রুত রাস্তাটি পাকা করনের দাবী জানান।
গৃহিনী ইতি বেগম বলেন, রাস্তার কাদাজলের কারনে শিশুরা স্কুলে যেতে চায়না,গেলেও সময়মতো স্কুলে পৌছাতে পারেনা। অনেক সময় পা পিছলে কাদায় পড়ে গিয়ে বইখাতা কাপড়চোপড় নষ্ট করে বাসায় ফেলে।
মাদরাসা শিক্ষক মারুফ হাসান বলেন, কাদার কারনে মাদরাসাগামী শিশু শিক্ষার্থী ও মসজিদগামী মুসল্লীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গোরস্থানে লাশ নিতেই সমস্যা দেখা দেয়। দ্রুত রাস্তাটি পাকা করনের দাবী তার।
বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, জনগুরুত্বপুর্ন অবহেলীত ওই রাস্তা এবং এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। আশা করছি দ্রুতই রাস্তাটি পাকা করণ হবে।


















